৫ পঞ্চম অধ্যায়: জীববিজ্ঞান ও মানব দেহ

পঞ্চম অধ্যায়: জীববিজ্ঞান ও মানব দেহ

এই অধ্যায়ে পবিত্র কোরআনে মানবদেহ ও জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের উল্লেখ এবং আধুনিক বিজ্ঞানের সঙ্গে তাদের সামঞ্জস্য বিশ্লেষণ করা হবে। কোরআন মানব সৃষ্টির সূচনা, দেহের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম, এবং জীবনের জটিলতা সম্পর্কে এমন কিছু তথ্য প্রদান করে, যা আধুনিক বিজ্ঞান বহু শতাব্দী পর আবিষ্কার করেছে।  

৫.১ ভ্রূণের বিকাশ

- সুরা আল-মুমিনুন (২৩:১২-১৪):

আর নিশ্চয়ই আমি মানুষকে মাটি থেকে সৃষ্ট করেছি। তারপর তাকে শুক্রবিন্দুর আকারে এক সুরক্ষিত স্থানে স্থাপন করেছি। তারপর শুক্রবিন্দুকে জমাট রক্তে পরিণত করেছি। তারপর সেই জমাট রক্তকে এক টুকরা মাংসে পরিণত করেছি। তারপর সেই মাংসপিণ্ডকে হাড়ে রূপ দিয়েছি। তারপর হাড়গুলোকে মাংস দিয়ে ঢেকে দিয়েছি। তারপর তাকে সম্পূর্ণ নতুন একটি রূপ দিয়েছি। অতএব, মহিমান্বিত তিনি, যিনি সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা।

ভূমিকা

এই আয়াতটি মানব সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে জন্মের আগ পর্যন্ত ভ্রূণের বিকাশের বিভিন্ন ধাপ বর্ণনা করে। কোরআনের এই বর্ণনাগুলো আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং ভ্রূণতত্ত্ব (Embryology) আবিষ্কারের বহু আগে উত্থাপিত হয়েছিল। 

বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও পর্যায়ক্রমিক বিকাশ

আধুনিক ভ্রূণতত্ত্ব অনুসারে, মানব সৃষ্টির বিভিন্ন ধাপ কোরআনের আয়াতের সঙ্গে চমৎকারভাবে মিলে যায়।  

1. শুক্রবিন্দু থেকে শুরু:

- বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে যে মানব সৃষ্টির সূচনা শুক্রাণু এবং ডিম্বাণুর মিলন থেকে হয়, যা কোরআনে "শুক্রবিন্দু" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।  

- এই "শুক্রবিন্দু" এক সুরক্ষিত স্থানে, অর্থাৎ মাতৃগর্ভে স্থাপিত হয়।  


2. জমাট রক্ত:

- ভ্রূণের প্রথম পর্যায়ে এটি রক্তের মতো একটি স্তরে পরিণত হয়, যা আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী "blastocyst" নামে পরিচিত।  

- এটি মাতৃগর্ভে নিজেকে দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত করে এবং ক্রমশ বিকাশ লাভ করে।  

3. মাংসপিণ্ডের রূপ:

- ভ্রূণ দ্রুত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে এক "মাংসপিণ্ড" আকারে পরিণত হয়।  

- বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে এটি দেখতে একেবারেই "chewed substance"-এর মতো, যা কোরআনে বলা "মাংসপিণ্ড"-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।  

4. হাড়ের বিকাশ এবং মাংসের স্তর:

- ভ্রূণের মধ্যে প্রথমে হাড় গঠিত হয়, তারপর তা মাংস বা পেশীতে ঢেকে যায়।  

- আধুনিক ভ্রূণবিদ্যা প্রমাণ করেছে যে হাড় গঠনের জন্য নির্দিষ্ট কোষ প্রথমে সক্রিয় হয় এবং পরে পেশীগুলো সেই হাড়ের চারপাশে গঠন করে।  

5. সম্পূর্ণ নতুন রূপ প্রদান:

- শেষ পর্যায়ে ভ্রূণটি পূর্ণ মানব আকৃতি ধারণ করে এবং এক জীবন্ত সন্তানে রূপান্তরিত হয়।  

কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

সুরা আল-মুমিনুন-এর এই আয়াতগুলোর প্রতিটি শব্দ আধুনিক বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে। ১৯৮০-এর দশকে ড. কিথ মুর (Dr. Keith Moore), যিনি বিশ্বখ্যাত ভ্রূণতত্ত্ববিদ, কোরআনে বর্ণিত এই ধাপগুলোকে বৈজ্ঞানিকভাবে অবিশ্বাস্যভাবে সঠিক বলে ঘোষণা করেছেন।  

উপসংহার

পবিত্র কোরআনের এই বর্ণনা মানবদেহের সৃষ্টির এক বিস্ময়কর সত্য প্রকাশ করে, যা প্রায় ১৪০০ বছর আগে কোনো বিজ্ঞানী বা চিকিৎসক জানতে পারেনি। এটি কোরআনের বৈজ্ঞানিক অলৌকিকতার একটি শক্তিশালী উদাহরণ।  

পরবর্তী অংশে আমরা মানবদেহে পানির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করব।


৫.২: মানবদেহে পানির ভূমিকা

- সুরা আল-ফুরকান (২৫:৫৪):

আর তিনিই মানুষকে পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তার জন্যে এক বংশ এবং এক আত্মীয় সূত্র করেছেন। আর তোমার প্রতিপালক সর্বশক্তিমান।

ভূমিকা

মানবদেহের গঠন ও কার্যক্রমের জন্য পানি অপরিহার্য। এই আয়াতে মানবসৃষ্টির ভিত্তি হিসেবে পানির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞানেও প্রমাণিত হয়েছে যে মানবদেহের গঠনের একটি বিশাল অংশ পানি, এবং এটি মানবজীবনের জন্য মৌলিক ও অপরিহার্য।  

মানবদেহে পানির ভূমিকা

১. মানবদেহে পানির পরিমাণ

- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরের প্রায় ৬০-৭০% পানি দিয়ে গঠিত।  

- রক্তের ৯০% পানি, পেশীর ৭৫% পানি, এমনকি হাড়ের প্রায় ২২% অংশও পানি।  

- পানি কোষের গঠন রক্ষা করে, পুষ্টি সরবরাহ করে এবং বর্জ্য অপসারণে সাহায্য করে।  

২. সৃষ্টির প্রাথমিক উপাদান হিসেবে পানি

- বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে যে পৃথিবীর সমস্ত জীবের উৎপত্তি পানিতে।  

- জীববিজ্ঞানের সূত্র: জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে সকল জীবাণু বা কোষ পানির উপস্থিতিতে গঠিত হয়।  

- কোরআনে এই কথার ইঙ্গিত রয়েছে:  

   “আমি প্রত্যেক জীবন্ত জিনিসকে পানি থেকে সৃষ্টি করেছি।” -সুরা আম্বিয়া, (২১:৩০)

৩. শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ

- পানি মানবদেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  

- ঘামের মাধ্যমে শরীর অতিরিক্ত তাপ বের করে দেয় এবং দেহকে শীতল রাখে।  

৪. বিপাক ক্রিয়া ও পুষ্টি পরিবহন

- পানি খাদ্য হজমে সাহায্য করে এবং রক্তের মাধ্যমে পুষ্টি পরিবহন করে।  

- এটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বিপাকীয় বর্জ্য শরীর থেকে বের করে দেয়।  

৫. পানির অভাবে বিপর্যয়

- মানবদেহে পানির ঘাটতি হলে **ডিহাইড্রেশন** দেখা দেয়।  

- ডিহাইড্রেশনের কারণে শরীরের কার্যক্ষমতা কমে যায়, রক্তচাপ কমে যায় এবং অঙ্গগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। 


কোরআনের অলৌকিকতা

এই আয়াতটি যখন নাজিল হয়েছিল, তখন মানবদেহের পানির গঠন সম্পর্কে কোনো বৈজ্ঞানিক ধারণা ছিল না। আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষণা এখন প্রমাণ করেছে যে পানি মানবদেহের মূল উপাদান এবং এর অভাবে জীবন অসম্ভব।  

ড. উইলিয়াম হে (William Hay), যিনি একজন প্রখ্যাত সমুদ্রবিজ্ঞানী ও জীববিজ্ঞানী, উল্লেখ করেছেন যে কোরআনে পানি সম্পর্কে করা মন্তব্যগুলো অত্যন্ত সঠিক এবং বিজ্ঞানসম্মত। 


উপসংহার

পানি মানবজীবনের ভিত্তি এবং মানবদেহের মূল গঠনের এক অনন্য দিক। কোরআনের এই বাণী মানবদেহের প্রকৃতি ও গঠনের বিজ্ঞানসম্মত সত্য প্রকাশ করে, যা কোরআনের অতুলনীয় অলৌকিকতা প্রমাণ করে। 


৫.৩: মানুষের আঙুলের ছাপ

- সুরা আল-কিয়ামাহ (৭৫:৩-৪):

মানুষ কি মনে করে যে আমি তার হাড় একত্র করতে পারব না? অবশ্যই পারব। আমি এমনকি তার আঙুলের ডগাগুলো পর্যন্ত পুনর্গঠিত করতে সক্ষম।


ভূমিকা

কোরআনের এই আয়াতটি আঙুলের ডগার কথা উল্লেখ করেছে, যা প্রাথমিকভাবে মানুষের সুনির্দিষ্ট সৃষ্টির ইঙ্গিত দেয়। আধুনিক জীববিজ্ঞান ও ফোরেনসিক বিজ্ঞানের উন্নয়ন থেকে জানা যায়, প্রতিটি মানুষের আঙুলের ছাপ সম্পূর্ণরূপে অনন্য। এটি মানুষকে সনাক্ত করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতিগুলোর একটি।  


আঙুলের ছাপের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

১. আঙুলের ছাপের অনন্যতা

- আঙুলের ছাপ এমন একটি জৈবিক বৈশিষ্ট্য যা প্রতিটি মানুষের জন্য একান্ত নিজস্ব।  

- পৃথিবীতে প্রায় ৮০০ কোটি মানুষ হলেও কোনো দুই ব্যক্তির আঙুলের ছাপ কখনোই একই নয়।  

২. ভ্রূণ অবস্থায় গঠিত হয়

- মানুষের আঙুলের ছাপ গর্ভাবস্থার ১৩-১৬ সপ্তাহে গঠিত হয় এবং আজীবন অপরিবর্তিত থাকে।  

- জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আঙুলের ছাপ একই থাকে, এমনকি আঘাত বা পোড়ার পরেও ছাপের গঠন পুনরুদ্ধার হতে পারে।  

৩. জীববিজ্ঞানে আঙুলের ছাপের ভূমিকা

- আঙুলের ছাপের নিদর্শন ত্বকের ঘর্ষণ বৃদ্ধি করে, যা ধরে রাখা বা স্পর্শ করার সময় সাহায্য করে।  

- আঙুলের ছাপের জৈবিক গঠন মানুষকে শারীরিক কাজকর্মে সাহায্য করে।  


আঙুলের ছাপের আধুনিক প্রয়োগ

১. ফোরেনসিক সনাক্তকরণ

- আঙুলের ছাপ সনাক্তকরণ পদ্ধতি অপরাধ তদন্তে একটি অপরিহার্য পদ্ধতি।  

- একে "Fingerprint Identification System" বলা হয়, যা কোরআনের উক্তির সঙ্গে মিলে যায়।  

২. বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা

- আঙুলের ছাপ এখন বায়োমেট্রিক প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, যেমন স্মার্টফোন আনলকিং, পাসপোর্ট যাচাই, ব্যাংকিং নিরাপত্তা, ইত্যাদি।  

৩. চিকিৎসা গবেষণা

- আঙুলের ছাপের গঠন বিভিন্ন জেনেটিক অসঙ্গতি বা রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।  


কোরআনের অলৌকিকতা

এই আয়াতটি যখন নাজিল হয়েছিল, তখন মানুষের আঙুলের ছাপ সম্পর্কে কোনো বৈজ্ঞানিক ধারণা ছিল না। তবুও কোরআন আঙুলের ডগার জটিল গঠন ও সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে।  

বিজ্ঞানীরা একমত যে আঙুলের ছাপের এই অনন্য গঠন জৈবিক উন্নয়নের এক বিস্ময়কর উদাহরণ। ড. মরিস বুকাইলি তার গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, “আঙুলের ছাপের মতো অনন্য বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেই কোরআনের অলৌকিক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়।” 

উপসংহার

কোরআনের আয়াত এবং আধুনিক বিজ্ঞান আঙুলের ছাপের গুরুত্ব ও অনন্যতাকে প্রমাণ করে। এটি কোরআনের আরও একটি অলৌকিক দৃষ্টান্ত, যা মানুষের সৃষ্টির সূক্ষ্মতা ও স্রষ্টার সর্বশক্তিমান সত্ত্বার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জাগায়।  


৫.৪: মানব মস্তিষ্কের সামনের অংশ  

- সুরা আল-আলাক (৯৬:১৫-১৬):

না! যদি সে বিরত না হয়, আমি অবশ্যই তাকে টেনে নিয়ে যাব, সেই সামনের অংশ দিয়ে। এক মিথ্যাবাদী ও পাপী কপাল।


ভূমিকা

এই আয়াতে কোরআন বিশেষভাবে "সামনের অংশ" বা "কপালের" প্রতি ইঙ্গিত করেছে। এটি মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোবের অংশ, যা আধুনিক নিউরোসায়েন্সে মানুষের আচরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নৈতিকতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে প্রমাণিত হয়েছে।  

ফ্রন্টাল লোবের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

১. ফ্রন্টাল লোবের ভূমিকা

- ফ্রন্টাল লোব মস্তিষ্কের সামনের অংশে অবস্থিত এবং এটি মানব আচরণ ও মানসিকতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।  

- এটি চিন্তাভাবনা, বিচারক্ষমতা, পরিকল্পনা, এবং নৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করে।  

২. পাপ ও মিথ্যার সঙ্গে সম্পর্ক

- আধুনিক বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে যে, মিথ্যা বলার সময় মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোব সক্রিয় থাকে।  

- পাপজনিত কাজ এবং বিবেকবোধের সঙ্গে ফ্রন্টাল লোব সরাসরি জড়িত।  

৩. নিউরোসায়েন্সের গবেষণা

- ফ্রন্টাল লোব ক্ষতিগ্রস্ত হলে মানুষ নৈতিকতা হারিয়ে ফেলে এবং অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে।  

- এটি মস্তিষ্কের সেই অংশ যেখানে সুনির্দিষ্ট চিন্তা এবং ইচ্ছাশক্তির উৎপত্তি হয়।  


কোরআনের বিবৃতির অলৌকিকতা

মস্তিষ্কের এই অংশকে "মিথ্যাবাদী ও পাপী কপাল" হিসেবে উল্লেখ করা কোরআনের ভাষাগত অলৌকিকতার একটি দৃষ্টান্ত। যখন এই আয়াতটি নাজিল হয়েছিল, তখন মস্তিষ্ক বা এর কার্যকারিতা সম্পর্কে কোনো বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ছিল না।  

কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে, ফ্রন্টাল লোবের কার্যকলাপ মিথ্যা বলা, পাপ কাজ করা এবং নৈতিকতার জন্য দায়ী। এই বিষয়ে ড. মরিস বুকাইলি উল্লেখ করেছেন, “কোরআনের এই উল্লেখ শুধুমাত্র স্রষ্টার চূড়ান্ত জ্ঞানের প্রতিফলন।”  


মানব আচরণ এবং নৈতিকতার ওপর প্রভাব

১. নেতিবাচক প্রভাব

- ফ্রন্টাল লোব ক্ষতিগ্রস্ত হলে মানুষ অযৌক্তিক কাজ করতে পারে।  

- এটি নৈতিকতা ও বিচারক্ষমতা হারানোর অন্যতম কারণ।  


২. ইতিবাচক প্রভাব

- সঠিক শিক্ষা ও নৈতিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে ফ্রন্টাল লোব সঠিক পথে পরিচালিত হতে পারে।  

উপসংহার

কোরআনের এই আয়াত এবং আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষণা মানব মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোবের গুরুত্ব ও কার্যকারিতা প্রমাণ করে। এটি কোরআনের আরও একটি অলৌকিক দিক, যা মানুষের সৃষ্টিতে স্রষ্টার সূক্ষ্ম জ্ঞানের প্রতি ইঙ্গিত করে

Comments

Popular posts from this blog

সূচিপত্র: আল কুরআন: একটি বিজ্ঞানের মানদন্ড ও মাপকাঠি | Al Quran : a Citation and Measurement for Science

দশম অধ্যায়: (প্রথম আংশ) আনের আয়াত ও আধুনিক বিজ্ঞানের ১০০+ প্রমাণ

১ প্রথম অধ্যায়: ইসলামের ঐতিহ্য ও জ্ঞানচর্চা